Cox's Bazar
Tour Details
আপনার বাজেট-ফ্রেন্ডলি ঢাকা থেকে কক্সবাজার ভ্রমণ পরিকল্পনা (৫ দিন)
আপনার দেওয়া নমুনা পরিকল্পনার উপর ভিত্তি করে ৪ঠা আগস্ট থেকে ৮ই আগস্ট ২০২৫ পর্যন্ত ঢাকা থেকে কক্সবাজার ভ্রমণের একটি বিস্তারিত ও বাজেট-ফ্রেন্ডলি পরিকল্পনা নিচে দেওয়া হলো। এই পরিকল্পনায় যাতায়াত, থাকা, খাওয়া, ঘোরার জায়গা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
✨🎒 আপনার কক্সবাজার ভ্রমণ পরিকল্পনা 🎒✨
যাত্রার তারিখ: ৪ঠা আগস্ট, ২০২৫ ফেরার তারিখ: ৮ই আগস্ট, ২০২৫ ভ্রমণের সময়কাল: ৫ দিন, ৪ রাত
যাতায়াত (ঢাকা - কক্সবাজার - ঢাকা)
পছন্দসই মাধ্যম: বাস/ট্রেন (রাতের যাত্রা)
যাত্রা: আপনার ভ্রমণ শুরু হবে ৩রা আগস্ট, ২০২৫ রাতের বাস বা ট্রেনে। এতে আপনি ৪ঠা আগস্ট সকালে কক্সবাজার পৌঁছে পুরো দিনটি উপভোগ করতে পারবেন।
বাস: ঢাকা থেকে কক্সবাজারের জন্য অনেক ভালো বাস সার্ভিস রয়েছে (যেমন: শ্যামলী, হানিফ, গ্রীন লাইন, সোহাগ)। নন-এসি বাসের ভাড়া সাধারণত ৳১০০০ - ৳১৩০০ এবং এসি বাসের ভাড়া ৳১৬০০ - ৳২৫০০ এর মধ্যে হয়ে থাকে।
ট্রেন: ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের জন্য "কক্সবাজার এক্সপ্রেস" ট্রেনটি একটি আরামদায়ক বিকল্প। শোভন চেয়ারের ভাড়া প্রায় ৳৭০০-৳৮০০ এবং এসি চেয়ার বা কেবিনের ভাড়া ৳১৫০০ - ৳২৫০০+ হতে পারে।
বাজেট-ফ্রেন্ডলি থাকার ব্যবস্থা (হোটেল)
কলাতলী বা সুগন্ধা বিচ রোডের কাছাকাছি হোটেলে থাকলে যাতায়াতের সুবিধা হয়। নিচে কিছু বাজেট-ফ্রেন্ডলি হোটেলের নাম দেওয়া হলো:
হোটেল সি ক্রাউন: বিচ থেকে হাঁটা দূরত্বে অবস্থিত এবং এটি পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। নন-এসি রুমের ভাড়া সাধারণত ৳২০০০ - ৳৩০০০ এর মধ্যে থাকে।
হোটেল কোরাল রীফ: এটিও সুগন্ধা পয়েন্টের কাছে অবস্থিত। এখানে তুলনামূলক কম খরচে ভালো মানের রুম পাওয়া যায়। ভাড়া ৳১৮০০ - ৳২৮০০ হতে পারে।
গেস্ট হাউস/রিসোর্ট: কলাতলী রোডে অনেক সস্তা গেস্ট হাউস ও রিসোর্ট রয়েছে যেখানে ৳১৫০০ - ৳২৫০০ এর মধ্যে রুম ভাড়া পাওয়া সম্ভব।
মোট থাকার খরচ (৪ রাত): আনুমানিক ৳৭২০০ - ৳১০০০০ (প্রতি রাতের গড় ৳১৮০০ - ৳২৫০০)
৫ দিনের বিস্তারিত ভ্রমণ পরিকল্পনা
📍 দিন ১: কক্সবাজার পৌঁছানো এবং বিচ ভ্রমণ (৪ঠা আগস্ট, ২০২৫)
সকাল: সকালে কক্সবাজার পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করুন এবং কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিন।
দুপুর: দুপুরের খাবার সেরে নিন। কলাতলী বিচের কাছাকাছি অনেক ভালো মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে।
রেস্টুরেন্ট: "পৌষী রেস্টুরেন্ট" বা "ঝাউবন রেস্টুরেন্ট" এ ভর্তা ও সামুদ্রিক মাছ দিয়ে দুপুরের খাবার খেতে পারেন।
বিকাল ও সন্ধ্যা: সুগন্ধা ও কলাতলী বিচে সূর্যাস্ত উপভোগ করুন। বিচে চেয়ার ভাড়া করে (প্রতি ঘন্টা ৳৫০-৳৭০) সমুদ্রের গর্জন শুনতে পারেন।
রাতের খাবার: বিচের কাছাকাছি কোনো ক্যাফেতে বা "কয়লা রেস্টুরেন্ট" এ রাতের খাবার খেতে পারেন।
আনুমানিক খরচ:
থাকা: ৳১৮০০ - ৳২৫০০
খাওয়া: ৳৮০০ - ৳১০০০
ঘোরাঘুরি (লোকাল যাতায়াত ও অন্যান্য): ৳৩০০ - ৳৪০০
মোট খরচ: ৳২৯০০ - ৳৩৯০০
📍 দিন ২: হিমছড়ি ও ইনানী বিচ ভ্রমণ (৫ই আগস্ট, ২০২৫)
সকাল: সকালে নাস্তার পর একটি অটো বা জিপ ভাড়া করে হিমছড়ি ও ইনানী বিচের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ুন।
হিমছড়ি: এখানকার পাহাড় থেকে সমুদ্রের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়। এখানে একটি ছোট ঝর্ণাও রয়েছে। (প্রবেশ ফি: ৳৩০)
ইনানী বিচ: এটি মূলত প্রবাল পাথরের জন্য বিখ্যাত। ভাটার সময় গেলে পাথরের সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করা যায়। মেরিন ড্রাইভ দিয়ে এই যাত্রাটি খুবই আনন্দদায়ক।
দুপুর: ইনানী বিচের কাছাকাছি "পাথুরে সৈকত রেস্টুরেন্ট" বা অন্য কোনো স্থানীয় রেস্টুরেন্টে সামুদ্রিক মাছ দিয়ে দুপুরের খাবার উপভোগ করুন।
বিকাল: হোটেলে ফিরে বিশ্রাম।
সন্ধ্যা: লাবনী পয়েন্টে ঘুরে বেড়াতে পারেন এবং সেখানকার বার্মিজ মার্কেটে কেনাকাটা করতে পারেন।
আনুমানিক খরচ:
থাকা: ৳১৮০০ - ৳২৫০০
খাওয়া: ৳৮০০ - ৳১২০০
ঘোরাঘুরি (অটো/জিপ ভাড়া): ৳১০০০ - ৳১৫০০ (রিজার্ভ)
মোট খরচ: ৳৩৬০০ - ৳৫২০০
📍 দিন ৩: মহেশখালী দ্বীপ ভ্রমণ (৬ই আগস্ট, ২০২৫)
সকাল: নাস্তার পর ৬ নং ঘাটে গিয়ে স্পিডবোট বা লোকাল ট্রলারে করে মহেশখালী দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করুন।
মহেশখালী: এই দ্বীপে ঘুরে দেখার মতো অনেক কিছু আছে, যেমন - আদিনাথ মন্দির, বৌদ্ধ বিহার এবং পানের বরজ। রিকশা বা অটো ভাড়া করে পুরো দ্বীপটি ঘুরতে পারেন।
দুপুর: মহেশখালীর স্থানীয় কোনো হোটেলে দুপুরের খাবার খেয়ে নিন।
বিকাল: কক্সবাজার ফিরে এসে হোটেলে বিশ্রাম।
সন্ধ্যা: বার্মিজ মার্কেটে কেনাকাটা করতে পারেন। এখানে আচার, হাতে বোনা কাপড় ও বিভিন্ন স্যুভেনিয়ার পাওয়া যায়।
আনুমানিক খরচ:
থাকা: ৳১৮০০ - ৳২৫০০
খাওয়া: ৳৭০০ - ৳১০০০
ঘোরাঘুরি (বোট ও লোকাল যাতায়াত): ৳৮০০ - ৳১২০০
মোট খরচ: ৳৩৩০০ - ৳৪৭০০
📍 দিন ৪: রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড ও অবসর (৭ই আগস্ট, ২০২৫)
সকাল: সকালে "রেডিয়েন্ট ফিশ ওয়ার্ল্ড" (Radiant Fish World) একুরিয়ামটি ঘুরে আসতে পারেন। এটি দেশের অন্যতম সুন্দর একটি ফিশ একুরিয়াম। (প্রবেশ ফি: ৳৩০০-৳৪০০)
দুপুর: "মারমেইড ক্যাফে" তে একটি ভিন্নধর্মী পরিবেশে দুপুরের খাবার উপভোগ করতে পারেন। এটি কিছুটা ব্যয়বহুল হলেও এর পরিবেশ খুবই মনোরম। বাজেটের মধ্যে থাকতে চাইলে অন্য কোনো স্থানীয় রেস্টুরেন্টে খেতে পারেন।
বিকাল: বিচে ওয়াটার স্পোর্টস (যেমন: জেট স্কি, বিচ বাইক) উপভোগ করতে পারেন (ঐচ্ছিক)। অথবা নিরিবিলিভাবে সমুদ্রের তীরে সময় কাটাতে পারেন।
সন্ধ্যা: সন্ধ্যায় কক্সবাজার শহরে ঘুরে দেখতে পারেন এবং প্রিয়জনদের জন্য উপহার কিনতে পারেন।
আনুমানিক খরচ:
থাকা: ৳১৮০০ - ৳২৫০০
খাওয়া: ৳১০০০ - ৳১৫০০
ঘোরাঘুরি (প্রবেশ ফি ও যাতায়াত): ৳৫০০ - ৳৭০০
মোট খরচ: ৳৩৩০০ - ৳৪৭০০
📍 দিন ৫: ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা (৮ই আগস্ট, ২০২৫)
সকাল: সকালে শেষবারের মতো বিচে হাঁটতে পারেন এবং কিছু ছবি তুলতে পারেন।
দুপুর: দুপুরের খাবার খেয়ে হোটেল থেকে চেক-আউট করুন।
বিকাল/রাত: ঢাকার উদ্দেশ্যে বাস বা ট্রেনের টিকিট কেটে রাখুন এবং বিকেলের দিকে বা সন্ধ্যায় রওনা দিন।
সম্ভাব্য মোট খরচ (জনপ্রতি)
যাতায়াত (ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা): ৳২০০০ - ৳৫০০০ (বাস/ট্রেন)
থাকা (৪ রাত): ৳৩৬০০ - ৳৫০০০ (শেয়ারিং ভিত্তিতে থাকলে খরচ কম হবে)
খাওয়া (৫ দিন): ৳৪০০০ - ৳৬০০০
ঘোরাঘুরি ও অন্যান্য: ৳২৫০০ - ৳৩৫০০
মোট আনুমানিক খরচ: ৳১২,১০০ - ৳১৯,৫০০ (জনপ্রতি)
বিঃদ্রঃ এই খরচ নির্ভর করবে আপনার যাতায়াতের মাধ্যম, হোটেল নির্বাচন, খাওয়া এবং কেনাকাটার উপর। এটি একটি আনুমানিক ধারণা মাত্র। অফ-সিজনে গেলে খরচ কিছুটা কম হতে পারে। ভ্রমণের পূর্বে হোটেল ও বাস/ট্রেনের টিকিট বুকিং দিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
Included
- NID
- Birth Certificate
- 2 recent photos
- present address
Excluded
- any kind of blades
- fire arms
- spy cameras
- Edibles
Touring Map
condition 1 NID, Birth Certificate
we will ask for NID, Birth Certificate (minors) through contact
condition 2 2 Photos
we will ask for 2 recently taken clear photographs
condition 3 present Address
we will inquire about the traveler's present address for security purposes.
5
4
3
2
1